কাজালহরিনী
প্রথম তাকে দেখেছিলাম কলেজ function এ, নীল শাড়ি পরিহিত সেই মায়াবিনী, কানে দুটো ঝুমকো, হাতে কিছু চুড়ি আর অবিন্যস্ত কেশরাশি দক্ষিণের খোলা জানালা দিয়ে প্রবাহিত মৃদুমন্দ বাতাসের সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে যা তার সোভা আরও শতগুণ বৃদ্ধি করে চলেছে, না সেকোনো স্বপ্নপুরীর রাজকন্যা ছিলোনা কিন্তু সে সাধারনের মধ্যেও অসাধারণ ছিলো, হৃদয়ে তখন অষ্টাদশীর ছোঁয়া শরৎ এর দোর গড়ায় কাশফুলের সুমিষ্ট ঘ্রাণ হৃদয়ে ঠিক যেনো একটা অন্যরকম অনুভূতির সঞ্চার হচ্ছিলো, জানিনা তা কী ছিলো কারণ তা বিশ্লেষনে আমি অক্ষম, কাজলহরিণী সেই আঁখিদ্বয় আর ওষ্ঠে একচিলতে মিষ্টি হাসির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যে তার প্রতি সম্মোহিত হয়ে পড়েছিলাম তা ঠিক আমারও জানা নেই, তারদিকে তাকিয়ে কেমন যেনো থমকে গিয়েছিলাম ঠিক কতটা সময় এই ভাবে আমি সেই মায়াবিনীর দিকে তাকিয়ে ছিলাম তার কোনো আন্দাজ নেই, হয়তো মনে মনে চাইছিলাম সময়টা ঠিক এখানেই থমকে যাক মনপ্রাণ ভরে উপভোগ করতে চেয়েছিলাম সেই নারির উপস্থিতি, সেই মুহূর্তে আমি একটা কথাই উপলব্ধি করেছিলাম যে অনুভূতিরা কখনো শেষ হয়ে যায়না তারা ঠিক নিজেদের গন্তব্য টা খুঁজে নেয়, আর একটা গল্পের শেষ হওয়ার পরেই নতুন একটা গল্পের সূচনা পর্ব শুরু করে, হয়তো এটাই জীবনের বাস্তবতা...❤️
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
