বটগাছ (কবিতা)
বটগাছ (কবিতা) পথের পাশে বাস আমার,নীল আকাশ দেখি সারা দিনোমান ভরে -- উড়ন্ত সাদা মেঘের দল পলপল করে ভেসে যায় কখনো ভারী বরষায়, শীতের কনকনে হাওয়ায়। আলো-আঁধার জীবনের পথ চলার মাঝে, আমি শুধু শান্তির পরশ বিলিয়ে দেই পথচারীর কিংবা পাখ-পাখলির মেলায়। আমার নাই দুরন্ত গতি, কিন্তু বাতাসের দাপাদাপি আমি সহ্য করি, করি অনেক তাপদাহে জলন্ত হাওয়ার পরশ। সূর্যের দেয়া যন্ত্রণায় আমি মাথা পেতে নিয়ে, বিলিয়ে দেই শীতলতা আশ্রয় নেয়া মানুষ সহ জীবের সঙ্গীদের। আমাতে নেই কোনো অভিমান, নেই কোনো দাম্ভিকতার চরম প্রহার। আমি দেই আশ্রয়হীনের আশ্রয়, তবু ও তারা আমাতে করে তিক্ততার প্রহার। যন্ত্রণায় আমি ছুটতে চাই প্রাণীর মতো কিন্তু বিধাতার দেয়া আশির্বাদ আমি করিতে পারিনা ছিন্নভিন্ন। আমায় ছুটতে হলে করতে হবে শৃঙ্খল মুক্ত, আমাকে করতে হবে শক্তি সঞ্চার, নতুবা বিলুপ্ত হবে আমাতে বাস আশ্রিতার। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি যদি ছুটতে পারতাম বলগার বেগে, তাতে পেতো শান্তির পরশ, সূর্যের তাপবাহতা থেমে যেতো পৃথিবীর পর। আমার গায়ের রক্ত বিলিন করে এঁটে দেয় মনের কথা, কিংবা শুরু করে জীবনের ইতিহাস পথচলার বা পথ থামার ইতিকথা। আমায় ছুঁয়ে বলে অনেকে, আমি যদি হতাম তোমার ই মতো, তবেই সংসারে থাকতো না আর বিলাপ, থেমে যেতো না মলিন হাওয়ায় ভালোবাসার ছোঁয়া। অনেক সময় আমাতে অনেকেই করে জীবনের বলিদান, আবার অনেকেই করে সিদ্ধি লাভ, করে আমাতে পূজা, প্রকাশ করে শান্তি
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
