চুমু খাওয়ার রাজনীতি....
চুমুর আগে কথা ছিল, আলাপচারিতার গলির মোড়ে সেখানে প্রেমও ছিল না, ছিল না কোনো কূটনীতি। তবু চুমু খাওয়ার সময় ভাষার থেকেও জোরালো উঠল এক রাজনীতি চুমু মানে প্রেম? নাকি ঠোঁটের উপরে রঙ তোলার কৌশল? তুমি বলেছিলে, "এটা নেহাতই অভ্যেস," আর আমি ভেবেছিলাম, তোমার অভ্যেসে আমি ইতিহাস লিখব। কিন্তু চুমুর মাঝেও রাজনীতি থাকে, ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা অপ্রকাশিত প্রতিশ্রুতি, যা কেবলই একতরফা লেনদেন। তোমার ঠোঁট ছিল সংসদ, আমার চেতনা ছিল বিরোধী দল, তুমি চুমু খাওয়ার সময় সংসদে বিল পাস করেছিলে। তুমি কি জানো? প্রথম চুমুতে আমি স্বেচ্ছাসেবক ছিলাম, দ্বিতীয় চুমুতে বন্দি, তৃতীয় চুমুতে আমি শুধু গণতন্ত্রের লাশ। চুমু কখনো প্রেম নয়, কখনো শুধুই ক্ষমতার প্রকাশ। চুমু মানে মিথ্যে কথা, শব্দহীন প্রতিশ্রুতির বোঝা। আর চুমুর পরে, আমরা একে অপরকে দু'টি আলাদা দেশ ভেবে নিলাম। তুমি রাজা, আমি প্রজা, তোমার ঠোঁটের রাজনীতিতে আমার ভাষাহীন বিপ্লব তখনো পড়ে ছিল এক মুঠো অবজ্ঞার মত... তাই, আজ আর চুমু নয়, চাই না রাজনীতি, এবার শুধু নীরবতা, যেখানে শব্দের গাঁথুনি অতীতের চুমুকে ছাপিয়ে যায়।
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
