অতৃপ্ত বাসনায় (কবিতা)
অতৃপ্ত বাসনায় (কবিতা) আকাশে ঘুড়ি উড়ানো দেখে মনে হতো- ঘুড়িটি বুঝি আকাশ ছুঁয়েছে। তারপর নিরবে উপভোগ করি ঘুড়ি উড়ানোর খেলা। এক সময়ে হঠাৎ করে ঘুড়িটি অন্য একটি ঘুড়ির সাথে লেগে কেটে গেল। সময়ের দৌড় ঘোড়ায় মন বিষন্ন হয়ে গেলো। স্কুলের মাঠে ফুটবল খেলায় অনেক সময় নেয়া হতো না, তারপরও বাহিরে থেকে দেখে আনন্দ বা দু:খ করার দৃশ্য দেখে মনে অনেক চিন্তার উদয় হতো-না খেলায় অংশ গ্রহন করার কথা ভেবে। সত্যিই তো একদিন খেলার মাঠে বাবা পেছনে দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের দুই ভাইকে খেলার মাঠে জিগ্যেস করলো- কি করছো তোমরা -আস দেখ ঐখানে ছোট্ট ছেলেটি বসে বই পড়ছে। তখন ভাবলাম বাবার মনে চিন্তা বিষন্নতায় ঘেরা- তাতে মনে খারাপ লেগেছে। নদীর পানে চেয়ে দেখি রাশি রাশি ঢেউ কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে,দৃঢ়ভাবে দৃষ্টি স্থির করেও ঢেউয়ের অবস্থান বুঝতে পারিনি সেদিন ও। জীবন চলার পথে এ যেন এক হারানো সুরের মতো। আকাশের তারাগুলো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে, হঠাৎ করে একটি তারা যেন খসে পড়ে, তাতে করে লক্ষ্য স্থির করতে করতে দূরে কোথাও মিলিয়ে যায় চলন্ত পথে। গতি ভেদ করে ছুটে চলে রেলগাড়ি টি দু'ধার বেয়ে চলতেই অদৃশ্য হয়ে যায়, শুধু রেখে যায় স্মৃতির পটে চেনা-অচেনা কত মুখচ্ছবি। সব যেন যমলোকে যাওয়া নিয়ে ব্যস্ত, সময় দিতে নারাজি। ছিন্নতার মাঝে রয়ে যায় অনুভূতিরই কথা। বেদনায় হৃদয় নিয়ে পুরানো ভূলে আবারো ছুটে যাওয়া ভগ্ন হৃদয় টুকু। এর শেষ কোথায়,কখন যমলোকে
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
