দীর্ঘশ্বাঃস
যে শহরে তুমি নেই সে শহরের ইমারত গুলো পাখির খাঁচার মতন, মানুষ নামক কিছু ভয়ানক জীবন্ত লাশও ঘুরে বেড়ায় ঘুরে বেড়ায় গোধুলীর রক্তিম আভার মত ভয়ংকর রূপে। যে শহরে তুমি নেই সে শহরের দুপুর গুলো ঝাঁঝালো রোদ্দুরে পোড়ে। উতপ্ত দুপুরে আবার কখনো মাঝরাত্রিতে তুমিহীন শহরের প্রতিটা অলি গলি শূণ্যতার কারাবাসে হাহাকারে কাঁদে। তুমিহীন পুরো শহরের সব সৌন্দর্য এখন এক একটি গভীর দীর্ঘশ্বাসের কারণ যেন জীবন্ত মানুষের চামড়া চিঁড়ে নিচ্ছে। তুমিহীন আমি কবেই হোটচ খেয়ে নখ মুছলে পড়েছি তুমি ফিরে তাকানের সময় পর্যন্ত পাওনি! তুমীহীন আমার লেখায় প্রাণ নেই, মান নেই নেই আমার পাঠক-পাঠিকাদের সন্তুষ্টি, আমিও যে ভালো নেই, তোমায় কোন সাহসে সে কথা খুলে বলি, তাই আমি নির্বাক! এই যে আমার হাতে কাগজ-কালির বদলে রঙিন পানীয় নগ্নপায়ে ছেঁড়া জামায় বেখাপ্পা হয়ে বেখেয়ালি জীবনযাপন, প্রতিনিয়ত ভুলে যাচ্ছি ভুলে যাই কে কারা ছিলো আপন এ সবকিছুর এখন একটাই নাম -দীর্ঘশ্বাস। কান্না লুকিয়ে হাসি মুখের অভিনয় কতক্ষণ করা যায়, বলতে পারো? তুমিহীন স্মৃতি সমগ্রভাব বয়ে বেড়ানোর এ দীর্ঘশ্বাস ক্রমশঃ ভারী হয়ে উঠেছে গোপন ব্যথা। তুমিহীন এ শহরটাকে অন্ধ পথিকের মতো বড্ড বেরসিক বড্ড ফ্যাকাশে লাগে আজকাল। আজ নয়তো কাল দেখে নিও আমার দীর্ঘশ্বাঃস গুলো তোমার চোখেও ফিরত যাবে, হয়ে আমার বর্ষাকাল! রচনাকালঃ ১৯ শে অক্টোবর ২০২২ইং
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
