mohakalar dag
মহাকালের ডাক (কবিতা) ------প্রদীপ কুমার ঘোষ গুর্ণয়মান মহাশূন্যে দিক ভ্রম জীবজগৎ শুধু চক্রাকার নিরব স্পন্দনের কালো ছায়া। চলন্ত জাগতিক শক্তির হাতছানি, নেই কোন বন্ধনের আকর্ষণ। দিক দিগন্তে ছুটি চলা রশ্মির বেগ হাতছানি দিয়ে ডাক। উড়ন্ত পথে চলার সঙ্গী জীবন পথ চলা, মহাকালের ডাকে সারা দেয় প্রতিমুহূর্তে জন্ম জন্মান্তরে। মহাকালের যাত্রা থেমে নেই কোন জীব,রয়েছে শক্তির নিত্যতার খেলা। মাঠে-ঘাটে জলশূন্যতা, বারবার ফিরে আসা জীবজগতের সম্মিলিত কলর রাত্রি কাল ভরে দিনমান। আলোর বিচ্ছুরণ রক্তিম আভায় বৈচিত্রের মেলা উপভোগ করে বসবাস আমাদের। আকাশের পথে ছুটে চলা তারকা রাশি ও প্রাণীর বিচরণ, ব্যাঙের কলতান, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, নেই ভেদাভেদ প্রাণীকুলের সংসার। প্রতিটি মুহূর্তে আমরা কর্মে লিপ্ত সংসারের বেড়াজাল, এ যেন সবই মহাকালের ডাকে সাড়া দেওয়া। মাঠেরফসল হয় প্লাবিত, পাহাড় বিলুপ্ত জনপদ, এ যেন ছবি মহাকালের সন্ধিক্ষণ। হঠাৎ থেমে যাওয়া সভ্যতা অথবা যুদ্ধ সংঘাত, কোথাও দুর্ভিক্ষ আবার আধুনিক সভ্যতায় বিজ্ঞানের অভিশাপের স্পর্শতা, ডেকে আমি জীব কুলের বিন্যাস এ যেন মহাকালের ডাকের সাক্ষী। গ্রামের বধুর সাজানো সংসারে হঠাৎ নেমে গৃহকর্তার বিদায়ের ঘন্টা ---মহাকালের ডাক। সাজানো সংসারে নেমে আসে দুর্দশার আঁকা চিহ্নের আলোক টিকা। সমুদ্র ছুটে যাওয়া জাহাজ দিক ভ্রম তার অথবা তরঙ্গের তোলপাড় যাত্রাপথে তুই যেন মহাকালের ডাকে সাড়া। নিমিষে কখন যেন জীব
Poetry Books 50% Off
Bestselling collections from top poets
